এনটিআরসিএ’র সকল সনদধারীদের নিয়োগের দাবি কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
“এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার” এই নীতির আলোকে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধিত সকল সনদধারীদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন)।
ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এক মেধাবী সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন)। তিনি ১৯৯৭ সালে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ১৯৯৭ হতে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ছাত্রদল মজিদা আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৯ হতে ২০০২ সাল পর্যন্ত যুবদল কুড়িগ্রাম পৌর শাখার ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি, ২০০৩ হতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যুবদল কুড়িগ্রাম পৌর শাখার সহ-সভাপতি, ২০০৬ হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত পৌর যুবদলের ১, ২, ৩ নং ওয়ার্ডের আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি, ২০১২ হতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি, ২০১৭ হতে ২০২১ সাল পর্যন্ত জেলা যুবদলের সদস্য ও পৌর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, ২০২২ থেকে অদ্যবধি যুবদল কুড়িগ্রাম পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন) রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন। তিনি এনটিআরসিএ’র ১২তম নিবন্ধিত ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সনদধারী। তিনি সহ বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে রাজনৈতিক কারণে বৈষম্যের শিকার হয়ে চাকুরী বঞ্চিত হয়েছেন।
“এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার” এই নীতির আলোকে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধিত সকল সনদধারীদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের কথা থাকলেও বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে তদবিরের মাধ্যমে গোপনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আওয়ামী পন্থি সনদধারীদের নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন মহোদয়ের নিকট “এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার” এই নীতির আলোকে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধিত সকল সনদধারীদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।