অসুস্থ্য সাংবাদিক মুকুলের পাশে দাঁড়ালেন এশিউর গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ সাদী
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব দৈনিক জনবাণী পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মুকুল দীর্ঘদিন হার্টের সমস্যায় অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে দুইবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা ও কুষ্টিয়াতে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেন। অতিসম্প্রতি হার্ট ব্লক হয়ে অসুস্থ হলে ঢাকাস্থ জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানকার ডাক্তার খালেকুজ্জামানের তত্বাবধানে হার্টের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হার্টের ৪টি ব্লক ধরা পড়লে ডাক্তার দ্রুত ওপেন হার্ট সার্জারী করার পরামর্শ দেন। এই অপারেশন করতে অনেক টাকার প্রয়োজন হলে মুকুলের পরিবার দুঃচিন্তাই ভেঙ্গে পরেন।
ঘটনা কুমারখালীর কৃতি সন্তান ঢাকাস্থ কুষ্টিয়া সমিতির সভাপতি এশিউর গ্রুপের চেয়ারম্যান কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মানবতার ফেরিওয়ালা শেখ সাদী জানতে পারলে দ্রুত ছুটে আসেন এবং নজরুল ইসলাম মুকুলের পাশে দাঁড়ান। তিনি সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মুকুলের পরিবারকে জানান চিকিৎসার জন্য চিন্তা না করতে । মুকুলকে সুস্থ করে তুলতে তিনি সার্বিক সহযোগীতা করবেন। তার এই কথার উপর পরিবারের লোকজন স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলতে শুরু করেন। কারণ হার্ট ওপেন সার্জারী করতে অনেক অর্থের প্রয়োজন। শেখ সাদীর কথামতে নজরুল ইসলাম মুকুল ঢাকার গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নজরুল ইসলাম মুকুল বলেন, তিনি কখনো ভাবেনি তার এই বিপদের মুহুর্তে শেখ সাদী তার পাশে দাঁড়াবেন। এই ব্যক্তিকে নিয়ে নানা লোক নানা সমালোচনা করলেও বাস্তবে শেখ সাদী যে মানবতার ফেরিওয়ালা তারই প্রমান করে। তিনি শুধু কুমারখালীবাসীর অহংকারই নয় তিনি একজন কুষ্টিয়া জেলা বাসীর অহংকার । তার মত ব্যক্তি যদি সরকারে এমপি মন্ত্রী হতে পারতেন তা হলে কুষ্টিয়াবাসীর জন্য গর্ভের স্থান পেত। তিনি কুমারখালী-খোকসাবাসীর কল্যাণে ব্যাপক কাজ করে সুনামও অর্জন করে চলেছেন। তার হাত ধরে কুমারখালীর ব্যাপক উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড চলছে। যা স্বচক্ষে না দেখলে বুঝা যাবে না। নজরুল ইসলাম মুকুল বলেন, আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে এমন কিছু ব্যক্তিকে দুনিয়াতে প্রেরন করেন যার দ্বারা মানুষের কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসে। তার মধ্যেই রয়েছেন শেখ সাদী। আমরা দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা যেন শেখ সাদীকে আরো বড় মনের মানুষ হিসেবে হেদায়েত দান করেন। শেখ সাদী আমাদের অহংকার। মুকুল বলেন, আমার এই বিপদের মুহুর্তে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগীতা না পেলেও শেখ সাদী যে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তা কখনো ভুলার নয়।
শেখ সাদী বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, এটি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ। সরকারে বিভিন্ন নিরাপত্তা কর্মসুচীর পাশাপাশি আমিও মানববিক সহায়তার মাধ্যমে মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তিনি সমাজের বিত্তবান ও সচেতন নাগরিকদেরও মানবিক কর্মকান্ডে আরও বেশী সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান।