তাহিরপুর সীমান্তে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।
সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কলাগাঁও সীমান্তে ৮ বছরের হতদরিদ্র এক এতিম শিশুকে পালাক্রমে দুই কিশোরের ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।
ধর্ষণের ঘটনা জানাজানির পর থেকেই কাউকে না জানানোর জন্য ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এই দুই ধর্ষণকারীর পরিবারের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীর পরিবারের।
উল্লেখ্য,এ ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার (৪জুন)বিকালে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা কলাগাঁও গ্রামে।
আজ শনিবার দুপুরে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির নানীর একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেইসবুকে পোস্ট করার পর মুহূর্তের ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিও।
শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের কলাগাঁও গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ বলেন, এব্যাপারে ভুক্তভোগী শিশুটির নানী আমাকে জানিয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের আল আমিনের ছেলে সাকিব মিয়া (১৪) ও রনি মিয়ার ছেলে রিসাল মিয়া (১৫) হতদরিদ্র ওই শিশুটিকে বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক বাড়ির পিচনে টয়লেটে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে ধর্ষণকারী দুই কিশোর শিশুটিকে টয়লেটে ফেলে চলে যায়। পরে ধর্ষণের ঘটনা শিশুটির পরিবার জানার পর ধর্ষণকারীদের পরিবারের লোকজন শিশুটিকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয় এবং টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা করে। এবং এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়।
ধর্ষিতা শিশুটির নানী প্রতিবেদককে জানান, এর আগেও গত অগ্রহায়ণ মাসে আমি (নানী) বাড়িতে না থাকায় কলাগাঁও গ্রামের আল আমিনের ছেলে সাকিব মিয়া ও রনির ছেলে রিসাল মিয়া আমার নাতিরে ধর্ষণ করে। তহন হেরা ঘটনা কেউরে কইতাম না কইছে। হেরা শক্তিশালী মানুষ। আমরা গরীব মানুষ। তাই ভয়ে তহন কইছি না। এখন আবার গত (বৃহস্পতিবার) আসরের নামাজের পরে (বাড়িতে) একলা পাইয়া এই পুলারা (সাকিব ও রিসাল) জোর কইরা টাইন্না বাড়ির পিছনের (টয়লেটে) নিয়া ধর্ষণ করছে। আমরা গরীব মানুষ। সমাজের মানুষের কাছে দাবি করে বলেন,এর একটা
সূক্ষ্ম বিচার চাই।
তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম বলেন,এ বিষয়ে কেউ এখনো কোনো অভিযোগ করেনি।
অভিযোগ পেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।